সিলেটে কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ, তরুণ গ্রেপ্তার

সিলেট সদরে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে আরিফ উদ্দিন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কিশোরীকে সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে কিশোরী বাবার জিম্মায় রয়েছে। মামলার পরদিনই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সিলেটে কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ, তরুণ গ্রেপ্তার

সিলেট সদরের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ১১ ডিসেম্বর কোচিংয়ে যাওয়ার পথে আরিফ উদ্দিনসহ কয়েকজন কিশোরীকে অপহরণ করে সুনামগঞ্জে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে কাগজে স্বাক্ষর নেয় অভিযুক্ত। কিশোরীর বড় বোনের করা মামলার পরদিনই পুলিশ অভিযুক্ত আরিফকে গ্রেপ্তার করে। কিশোরীকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসা নেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, মামলার পরদিন অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয় এবং বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

সিলেট, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪: সিলেট সদরে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত রোববার মহানগরের শাহপরান থানায় একটি মামলা হওয়ার পরদিনই পুলিশ অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে ভুক্তভোগী কিশোরীকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১১ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে কোচিংয়ে যাচ্ছিল ওই কিশোরী। পথে আরিফ উদ্দিন (২১) অজ্ঞাতনামা দু-তিনজনের সহযোগিতায় ওই কিশোরীকে অপহরণ করে সুনামগঞ্জ জেলা শহরে নিয়ে যান। সেখানে আরিফ ওই কিশোরীকে ধর্ষণের পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর নেন।

কিশোরীর সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই শাহপরান থানায় তার বড় বোন একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে কিশোরীর মুঠোফোন থেকে বাড়িতে কল আসে এবং তাকে সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার করার আকুতি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা সুনামগঞ্জ থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে সিলেট সদরের খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে বাড়িতে নিয়ে যান। এর মধ্যে কিশোরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে শনিবার সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আত্মীয়স্বজনদের পরামর্শে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় কিশোরীর বড় বোন রোববার শাহপরান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী সুব্রত দাশ প্রথম আলোকে জানান, ১১ ডিসেম্বর অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আজ বাবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের আমলি ৩ নম্বর আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ভুক্তভোগী কিশোরীকে তার বাবার জিম্মায় তুলে দেন।

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মামলার পরদিনই পুলিশ অভিযুক্ত আরিফকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

তারিখ: ১৮.১২.২০২৪