বিজয় দিবসে বাংলাদেশ-ভারত সেনাবাহিনীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আখাউড়ায় অনুষ্ঠিত

মহান বিজয় দিবসে আখাউড়া-আগরতলা চেকপোস্টে বাংলাদেশ ও ভারতের সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ের অফিসারদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উভয় দেশের প্রতিনিধিগণ শুভেচ্ছা উপহার বিনিময় করেন। ১৮ মিনিটের এই সাক্ষাৎ দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করেছে।
বিজয় দিবসে বাংলাদেশ-ভারত সেনাবাহিনীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আখাউড়ায় অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আখাউড়া-আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টে বাংলাদেশ ও ভারতের সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ের অফিসারদের মধ্যে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১:৩০ থেকে ১১:৪৮ পর্যন্ত চলা এই সাক্ষাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষে মেজর জেনারেল সুমিত রানা উপস্থিত ছিলেন। উভয় দেশের প্রতিনিধিগণ সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শুভেচ্ছা উপহার বিনিময় করেন। ১৬ ডিসেম্বর এবং পহেলা বৈশাখের মতো জাতীয় দিবসগুলোতে এ ধরনের সাক্ষাতের প্রচলন উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান।

আখাউড়া, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪: বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) আখাউড়া-আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টে বাংলাদেশ ও ভারতের সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ের অফিসারদের মধ্যে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১:৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এই সাক্ষাৎ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয় এবং ১১:৪৮ মিনিটে শেষ হয়। বিজয় দিবসের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিনে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সৌজন্য সাক্ষাতের ধারাবাহিকতায় এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়ার মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চীফ অব স্টাফ, ১০১ এরিয়ার মেজর জেনারেল সুমিত রানা। দুই দেশের সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ের এই সাক্ষাতে উভয় পক্ষই আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পক্ষের প্রতিনিধি দলে ছিলেন তিনজন স্টাফ অফিসার এবং একজন অধিনায়ক পর্যায়ের বিজিবি অফিসার। অন্যদিকে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি দলে ছিলেন তিনজন অফিসার এবং অধিনায়ক পর্যায়ের বিএসএফ অফিসার। দুই দেশের প্রতিনিধিগণ নিজেদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং শুভেচ্ছা উপহার বিনিময় করেন।

উল্লেখযোগ্য যে, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং পহেলা বৈশাখের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের প্রচলন দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে। এটি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

তারিখ: ১৭.১২.২০২৪