বাংলাদেশ সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুম্বাইতে ভিএইচপি-র প্রতিবাদ

মুম্বাইতে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের কাছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে ভিএইচপি সদস্যরা বিক্ষোভ দেখান। প্রায় ৩০০ বিক্ষোভকারী আজাদ ময়দানে সমবেত হয়ে হাইকমিশনের দিকে যান। শিল্পপতি ও প্রাক্তন মন্ত্রী মঙ্গল প্রভাত লোধাও বিক্ষোভে যোগ দেন। পুলিশ তাদের আটকে দেয়।
বাংলাদেশ সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুম্বাইতে ভিএইচপি-র প্রতিবাদ

মুম্বাইতে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের কাছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে ভিএইচপি সদস্যরা বিক্ষোভ দেখান। প্রায় ৩০০ বিক্ষোভকারী আজাদ ময়দানে সমবেত হয়ে হাইকমিশনের দিকে যান। শিল্পপতি ও প্রাক্তন মন্ত্রী মঙ্গল প্রভাত লোধাও বিক্ষোভে যোগ দেন। পুলিশ তাদের আটকে দেয়।

মুম্বাই, ০২ ডিসেম্বর, ২০২৪: সোমবার মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের কাছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান বিশাল হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-র কয়েকশ সদস্য। বিক্ষোভকারীরা ব্যানার এবং প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রায় ১০০-১৫০ গজ দূরে অবস্থান নেন। তারা বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন এবং ইসকন সদস্যদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিবাদে স্লোগান দেন।

বাংলাদেশ মিশনের প্রধান মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এছাড়াও ঢাকার এক কূটনৈতিক সূত্র জানায়, প্রায় ৩০০ জন বিক্ষোভকারী প্রথমে মুম্বাইয়ের আজাদ ময়দানে সমবেত হয়। সেখান থেকে তারা বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের দিকে যান এবং সেখানে স্লোগান ও সমাবেশ করেন।

বিক্ষোভে যোগ দেন মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী এবং বিশিষ্ট শিল্পপতি মঙ্গল প্রভাত লোধা। তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং তাদের আন্দোলনকে সমর্থন করেন।

সাধারণত, কোন বিদেশি মিশনের কাছে কোনও প্রতিবাদ বা সমাবেশ হলে সেই তথ্য হোস্ট দেশ থেকে সংশ্লিষ্ট মিশনকে জানানো হয়। তবে, বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন প্রথম এই বিক্ষোভের খবর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারে। মিশনটি পরে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

স্থানীয় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয় এবং জানায়, তারা মূলত গণমাধ্যমের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের মিশনের কাছাকাছি যেতে দেয়নি।

বিক্ষোভের ঘটনাটি বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগ এবং ইসকন সদস্যদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা চলছে।

এই ধরনের বিক্ষোভ সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষার প্রশ্নে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে কূটনৈতিক স্তরে এমন পরিস্থিতি আরও সমাধানমূলক আলোচনার দিকে নিয়ে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

তারিখ: ০৩.১২.২০২৪